করোনার গ্রাসে বিশ্ব LIVE: ১২ লক্ষ ছাড়াল বিশ্বে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু ৭০ হাজার ছুঁইছুঁই

করোনার গ্রাসে বিশ্ব LIVE: ১২ লক্ষ ছাড়াল বিশ্বে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু…
প্রতি মুহূর্তেই মৃত্যুর গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে নিউ ইয়র্কে। লড়াই এ বার স্পেন থেকে সরছে আমেরিকার দিকে। মার্চ থেকে শুরু হওয়ার পরে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে স্পেন সবে একটু স্বস্তির শ্বাস ফেলছে। স্পেনে ৬৭৪ জন মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

—–শেষ তথ্য অনুসারে করোনায় মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৪২৮। আক্রান্ত হয়েছে ১২ লক্ষ ৭২ হাজার ৯৫৩।

—-২৪ ঘণ্টায় আমেরিকায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০।

—মৃত্যুর হার কমেছে ফ্রান্সে। ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩৫৭ জন।

—-আমেরিকার সঙ্গে করোনাভাইরাস নিয়ে নানা দ্বন্দ্বের আবহেও নিউ ইয়র্কের জন্য ১ হাজার ভেন্টিলেটর দিয়েছে চিন।

—–ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের অন্তঃসত্ত্বা সঙ্গিনী ক্যারি সাইমন্ডস আজ জানিয়েছেন, কোভিড-১৯-এর উপসর্গ দেখা দেওয়ায় এক রকম শয্যাবন্দি ছিলেন। বরিস আক্রান্ত হওয়ার সময় থেকেই আলাদা ছিলেন তিনি।

—-ইরানে ১৫১ জন মারা গিয়েছেন আজ। মৃতের মোট সংখ্যা ৩৬০৩।

—বরিস জনসনের কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসায় হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন।

দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

যেন দীপাবলি
হাইলাইটস

  • ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন মোদী।
  • রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
  • শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে চান বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই উদ্দেশেই আজ, ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার রাতে অবশ্য মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

পরিবেশবিদদের মতে, গত কদিন গোটা দেশজুড়েই লকডাউনের ফলে যে দূষণহীন পরিবেশ ফিরে পাওয়া গিয়েছিল, এক রাতের এই বাজির ছ্বটায় তা শেষ হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে সেই কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্যুইটে লিখেছিলেন, ‘রাত ৯টা-৯ মিনিট। মনোবল বাড়াতে পারস্পরিক সৌদার্য্য ছড়িয়ে দিন।’ একই কথা লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বাস্তবে গোটা দেশেই এই চিত্র ধরা পড়ল, শব্দদূষণের তোয়াক্কা না করে চকলেট বোমার আওয়াজে মুখরিত হল চারিদিক। সেইসঙ্গে চলল ‘গো করোনা গো’ স্লোগানও।

শুক্রবার মোদী বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই ইভেন্ট চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দ্বীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন।’ কিন্তু সেই লক্ষণরেখা কি বজায় রইল, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

Continue reading দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টানা লকডাউন সত্বেও ভারতে করোনা সংক্রমণ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। প্রতি ঘণ্টায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৫০৫ জন এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩,৫৭৭ জন। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের।

রবিবার দিল্লিতে আরও ৫৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫০৩ জন। এদের মধ্যে ৩২০ জন নিজামুদ্দিনের তাবলিঘি জামাতের জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন বলে রাজ্য সরকার জানিয়েছে। রাজস্থানে আরও ৪৭ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৩ জন এই মারণ ভাইরাসের শিকার হলেন।

তামিলনাড়ুতে এখনও পর্যন্ত ৫৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৫২২ জন দিল্লির বিতর্কিত ধর্মীয় জমায়েতে গিয়েছিলেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন।

রাজ্যগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩ জন বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। এর মধ্যে মুম্বইয়ের অবস্থা ভয়াবহ। শহরে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৩ জন। এ দিন নতুন করে আরও ৮ জনের মৃত্যু জেরে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০। মুম্বইয়ে লকডাউনের মেয়াদ ১৪ এপ্রিলের পরেও বৃদ্ধি করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সবরকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার তিনি এ নিয়ে আলোচনা করতে ফোন করলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের। কথা বললেন কংগ্রেসে কার্যনির্বাহী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নানা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

আরও পড়ুন: দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ১১, মৃত মোট ৭৯! আক্রান্ত ৪৭২ বেড়ে হল ৩৩৭৪

Continue reading দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

যেন দীপাবলি
হাইলাইটস

  • ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন মোদী।
  • রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
  • শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে চান বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই উদ্দেশেই আজ, ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার রাতে অবশ্য মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

পরিবেশবিদদের মতে, গত কদিন গোটা দেশজুড়েই লকডাউনের ফলে যে দূষণহীন পরিবেশ ফিরে পাওয়া গিয়েছিল, এক রাতের এই বাজির ছ্বটায় তা শেষ হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে সেই কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্যুইটে লিখেছিলেন, ‘রাত ৯টা-৯ মিনিট। মনোবল বাড়াতে পারস্পরিক সৌদার্য্য ছড়িয়ে দিন।’ একই কথা লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বাস্তবে গোটা দেশেই এই চিত্র ধরা পড়ল, শব্দদূষণের তোয়াক্কা না করে চকলেট বোমার আওয়াজে মুখরিত হল চারিদিক। সেইসঙ্গে চলল ‘গো করোনা গো’ স্লোগানও।

শুক্রবার মোদী বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই ইভেন্ট চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দ্বীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন।’ কিন্তু সেই লক্ষণরেখা কি বজায় রইল, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

Continue reading দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টানা লকডাউন সত্বেও ভারতে করোনা সংক্রমণ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। প্রতি ঘণ্টায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৫০৫ জন এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩,৫৭৭ জন। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের।

রবিবার দিল্লিতে আরও ৫৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫০৩ জন। এদের মধ্যে ৩২০ জন নিজামুদ্দিনের তাবলিঘি জামাতের জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন বলে রাজ্য সরকার জানিয়েছে। রাজস্থানে আরও ৪৭ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৩ জন এই মারণ ভাইরাসের শিকার হলেন।

তামিলনাড়ুতে এখনও পর্যন্ত ৫৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৫২২ জন দিল্লির বিতর্কিত ধর্মীয় জমায়েতে গিয়েছিলেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন।

রাজ্যগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩ জন বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। এর মধ্যে মুম্বইয়ের অবস্থা ভয়াবহ। শহরে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৩ জন। এ দিন নতুন করে আরও ৮ জনের মৃত্যু জেরে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০। মুম্বইয়ে লকডাউনের মেয়াদ ১৪ এপ্রিলের পরেও বৃদ্ধি করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সবরকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার তিনি এ নিয়ে আলোচনা করতে ফোন করলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের। কথা বললেন কংগ্রেসে কার্যনির্বাহী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নানা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

আরও পড়ুন: দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ১১, মৃত মোট ৭৯! আক্রান্ত ৪৭২ বেড়ে হল ৩৩৭৪

Continue reading দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮

শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার রাতে কলকাতায় শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগে মোট ৯৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে রবিবার রাত ন’টায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ।

তবে একইসঙ্গে এ দিন মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। এমন ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। করোনা মহামারীতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া। তখন কিছু মানুষের এমন ‘উৎসবের’ মানসিকতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এদিকে, ‘চৈতালি দিওয়ালি’তে শহরে শব্দ দানবের দাপাদাপি বন্ধে তৎপর ছিল কলকাতা পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার মুহূর্তের মধ্যে পদক্ষেপ করে প্রশাসন। নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে এদিন মোট ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে।

Continue reading শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮

দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

যেন দীপাবলি
হাইলাইটস

  • ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন মোদী।
  • রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
  • শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে চান বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই উদ্দেশেই আজ, ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার রাতে অবশ্য মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

পরিবেশবিদদের মতে, গত কদিন গোটা দেশজুড়েই লকডাউনের ফলে যে দূষণহীন পরিবেশ ফিরে পাওয়া গিয়েছিল, এক রাতের এই বাজির ছ্বটায় তা শেষ হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে সেই কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্যুইটে লিখেছিলেন, ‘রাত ৯টা-৯ মিনিট। মনোবল বাড়াতে পারস্পরিক সৌদার্য্য ছড়িয়ে দিন।’ একই কথা লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বাস্তবে গোটা দেশেই এই চিত্র ধরা পড়ল, শব্দদূষণের তোয়াক্কা না করে চকলেট বোমার আওয়াজে মুখরিত হল চারিদিক। সেইসঙ্গে চলল ‘গো করোনা গো’ স্লোগানও।

শুক্রবার মোদী বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই ইভেন্ট চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দ্বীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন।’ কিন্তু সেই লক্ষণরেখা কি বজায় রইল, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

Continue reading দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টানা লকডাউন সত্বেও ভারতে করোনা সংক্রমণ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। প্রতি ঘণ্টায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৫০৫ জন এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩,৫৭৭ জন। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের।

রবিবার দিল্লিতে আরও ৫৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫০৩ জন। এদের মধ্যে ৩২০ জন নিজামুদ্দিনের তাবলিঘি জামাতের জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন বলে রাজ্য সরকার জানিয়েছে। রাজস্থানে আরও ৪৭ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৩ জন এই মারণ ভাইরাসের শিকার হলেন।

তামিলনাড়ুতে এখনও পর্যন্ত ৫৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৫২২ জন দিল্লির বিতর্কিত ধর্মীয় জমায়েতে গিয়েছিলেন বলে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন।

রাজ্যগুলির মধ্যে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি সবথেকে খারাপ। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩ জন বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। এর মধ্যে মুম্বইয়ের অবস্থা ভয়াবহ। শহরে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩৩ জন। এ দিন নতুন করে আরও ৮ জনের মৃত্যু জেরে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০। মুম্বইয়ে লকডাউনের মেয়াদ ১৪ এপ্রিলের পরেও বৃদ্ধি করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সবরকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার তিনি এ নিয়ে আলোচনা করতে ফোন করলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের। কথা বললেন কংগ্রেসে কার্যনির্বাহী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নানা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

আরও পড়ুন: দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ১১, মৃত মোট ৭৯! আক্রান্ত ৪৭২ বেড়ে হল ৩৩৭৪

Continue reading দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও বেড়ে ৩৫৭৭, মৃত ৮৩​​​

শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮

শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার রাতে কলকাতায় শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগে মোট ৯৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে রবিবার রাত ন’টায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ।

তবে একইসঙ্গে এ দিন মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। এমন ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। করোনা মহামারীতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া। তখন কিছু মানুষের এমন ‘উৎসবের’ মানসিকতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এদিকে, ‘চৈতালি দিওয়ালি’তে শহরে শব্দ দানবের দাপাদাপি বন্ধে তৎপর ছিল কলকাতা পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার মুহূর্তের মধ্যে পদক্ষেপ করে প্রশাসন। নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে এদিন মোট ৯৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে।

Continue reading শব্দবাজি ফাটানোর দায়ে শহরে ধৃত ৯৮

দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!

যেন দীপাবলি
হাইলাইটস

  • ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন মোদী।
  • রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
  • শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে দেশকে আলোর পথে নিয়ে যেতে চান বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই উদ্দেশেই আজ, ৫ এপ্রিল রাত নটায় ঘরের আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনি। রবিবার রাতে অবশ্য মোমবাতি, প্রদীপের চেয়ে বড় হয়ে উঠল শব্দবাজির আওয়াজ। রাজভবন থেকে কলকাতার আবাসন, সব জায়গাতেই জ্বলল প্রদীপ। কিন্তু শব্দবাজি কেন? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

পরিবেশবিদদের মতে, গত কদিন গোটা দেশজুড়েই লকডাউনের ফলে যে দূষণহীন পরিবেশ ফিরে পাওয়া গিয়েছিল, এক রাতের এই বাজির ছ্বটায় তা শেষ হয়ে যেতে পারে।

শুক্রবার সকাল ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়ায় ভিডিয়ো বার্তায় এই আবেদন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে সেই কথা পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ট্যুইটে লিখেছিলেন, ‘রাত ৯টা-৯ মিনিট। মনোবল বাড়াতে পারস্পরিক সৌদার্য্য ছড়িয়ে দিন।’ একই কথা লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। বাস্তবে গোটা দেশেই এই চিত্র ধরা পড়ল, শব্দদূষণের তোয়াক্কা না করে চকলেট বোমার আওয়াজে মুখরিত হল চারিদিক। সেইসঙ্গে চলল ‘গো করোনা গো’ স্লোগানও।

শুক্রবার মোদী বলেছিলেন, ‘রবিবার দয়া করে বাড়ির আলো বন্ধ রাখুন। মোমবাতি জ্বালান। ৯ মিনিট ধরে বাড়ির ব্যালকনি থেকে টর্চ বা মোবাইলের আলো জ্বালান।’ মোমবাতি জ্বালানোর সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের শৃঙ্খল ভেঙে বেরনোর একটাই উপায়, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা। আপনাদের কাছে আরও একটি প্রার্থনা আছে। এই ইভেন্ট চলাকালীন জটলা করবেন না। প্রত্যেকে নিজের বাড়ির দরজায়, জানলায় বা ব্যালকনিতে দ্বীপ জ্বালাবেন। সোশ্যাল ডিসট্যানসিং-এর লক্ষ্মণরেখা মেনে চলবেন।’ কিন্তু সেই লক্ষণরেখা কি বজায় রইল, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

Continue reading দেদার বাজি, লকডাউনের দূষণহীন পরিবেশের ৯ ছয়!